২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) থেকে শুরু হচ্ছে এবং চলবে ২০ মে পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১০টায় পরীক্ষা শুরু হবে। যানজট এড়াতে পরীক্ষার্থীদের সকাল সাড়ে ৮টা থেকে কেন্দ্রে প্রবেশের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা পরিচালনায় শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট বোর্ডগুলো ১৪টি বাধ্যতামূলক নির্দেশনা জারি করেছে।
পরীক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ১৪টি নির্দেশনা নিচে তুলে ধরা হলো—
১. পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষাকক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে।
২. প্রশ্নপত্রে উল্লেখিত নির্ধারিত সময় মেনেই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
৩. প্রথমে বহুনির্বাচনী (MCQ), এরপর সৃজনশীল/রচনামূলক পরীক্ষা—দুই অংশের মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।
৪. পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে সাত দিন আগে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে।
৫. শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়ের নম্বর ধারাবাহিক মূল্যায়নের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান থেকে কেন্দ্রে পাঠাতে হবে এবং তা বোর্ডে অনলাইনে জমা দিতে হবে।
৬. ওএমআর ফরমে রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড সঠিকভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করতে হবে; উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না।
৭. বহুনির্বাচনী, সৃজনশীল ও ব্যবহারিক—প্রতিটি অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে।
৮. নিবন্ধনপত্রে উল্লিখিত বিষয় ছাড়া অন্য কোনো বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া যাবে না।
৯. নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রবেশপত্র বিতরণ নিশ্চিত না হলে দায়ভার প্রতিষ্ঠানপ্রধানের।
১০. বোর্ড অনুমোদিত ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।
১১. কেন্দ্রসচিব ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন বহন বা ব্যবহার করতে পারবে না।
১২. সব ধরনের পরীক্ষায় (MCQ, সৃজনশীল, ব্যবহারিক) একই উপস্থিতিপত্র ব্যবহার করতে হবে।
১৩. ব্যবহারিক পরীক্ষা নিজ নিজ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।
১৪. ফল প্রকাশের ৭ দিনের মধ্যে অনলাইনে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে।
শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই নির্দেশনাগুলো কঠোরভাবে অনুসরণ করা হলে পরীক্ষা সুষ্ঠু ও প্রশ্নফাঁসমুক্ত রাখা সম্ভব হবে। পরীক্ষার্থীদের সময়মতো কেন্দ্রে উপস্থিতি এবং নিয়ম মেনে চলাই এবার সফল পরীক্ষার মূল চাবিকাঠি।
আপনার মতামত লিখুন :