ইরান গুরুতর আর্থিক সংকটে রয়েছে এবং প্রতিদিন প্রায় ৫০ কোটি ডলার ক্ষতির মুখে পড়ছে—এমন দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম Truth Social-এ দেওয়া একাধিক পোস্টে তিনি বলেন, তেহরান অর্থনৈতিকভাবে ভেঙে পড়ার পথে এবং নগদ অর্থের ঘাটতিতে ভুগছে।
ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরান হরমুজ প্রণালী পুনরায় সচল করতে আগ্রহী, কারণ সেখানে বাণিজ্যিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় রাজস্ব ক্ষতি বাড়ছে। একইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, দেশটির সামরিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বেতন প্রদানে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।
তবে এসব দাবির স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য কোনো প্রমাণ এখনো আন্তর্জাতিকভাবে নিশ্চিত হয়নি। বিশ্লেষকদের মতে, এমন বক্তব্য কূটনৈতিক আলোচনার আগে চাপ সৃষ্টির কৌশল হিসেবেও দেখা যেতে পারে।
উল্লেখ্য, ইসলামাবাদ-এ সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফা আলোচনার আগে এই মন্তব্য করেন ট্রাম্প। যদিও সেই আলোচনা এখনো চূড়ান্ত হয়নি, পরিস্থিতি বিবেচনায় যুদ্ধবিরতির সময়সীমা বাড়ানোর ঘোষণাও দিয়েছে ওয়াশিংটন।
বিশেষজ্ঞদের ধারণা, অর্থনৈতিক চাপ ও সামরিক অবস্থানের সমন্বয় ঘটিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে আলোচনার টেবিলে আনতে চাইছে। তবে তেহরানের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখনো স্পষ্ট নয়, ফলে সামগ্রিক পরিস্থিতি অনিশ্চয়তার মধ্যেই রয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :