জেন-জিদের আন্দোলনে কেপি শর্মা অলির পতনের পর নেপালের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেতৃত্বে আসতে পারেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি। দুর্নীতিবিরোধী কঠোর অবস্থান ও ঐতিহাসিক রায়ের জন্য দেশটিতে তিনি ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছেন।
ভারতের বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএইচইউ) পড়াশোনা করা কার্কি নেপালের সুপ্রিম কোর্টের প্রথম এবং একমাত্র নারী প্রধান বিচারপতি ছিলেন। একাধিক দুর্নীতিবিরোধী রায়ের কারণে সাধারণ মানুষের আস্থাভাজন হয়ে ওঠেন তিনি।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে তরুণদের ব্যাপক বিক্ষোভে কেপি শর্মা অলি পদত্যাগে বাধ্য হন। এ আন্দোলনের নেতারা নতুন অন্তর্বর্তী নেতৃত্ব হিসেবে কার্কিকে বেছে নেওয়ার পক্ষে ঐকমত্যে পৌঁছেছেন।
বুধবার এক ভার্চুয়াল বৈঠকে পাঁচ হাজারের বেশি জেন-জি সদস্য অংশ নেন এবং তাদের অধিকাংশই কার্কির নাম সমর্থন করেন। আন্দোলনের নেত্রী রক্ষা বাম জানিয়েছেন, সেনাপ্রধানের সঙ্গে আলোচনা শেষে এ প্রস্তাব আনুষ্ঠানিক করা হবে।
প্রথমে কাঠমান্ডুর মেয়র বালেন শাহকে বিবেচনা করলেও তিনি ইতিবাচক সাড়া না দেওয়ায় আন্দোলনকারীরা শেষ পর্যন্ত সুশীলা কার্কির পক্ষেই ঐক্যবদ্ধ হন।
আপনার মতামত লিখুন :