যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী এপ্রিল মাসে বেইজিং সফর করবেন। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাম্প্রতিক ফোনালাপের পর তিনি সফরে সম্মতি দেন। একইসঙ্গে ট্রাম্প শিকে আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রীয় সফরে যুক্তরাষ্ট্রে আসার আমন্ত্রণও জানিয়েছেন।
দুই নেতার আলোচনায় বাণিজ্য, ইউক্রেন যুদ্ধ, তাইওয়ান, ফেন্টানিলসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ইস্যু উঠে আসে। ফোনালাপ ছিল প্রায় এক ঘণ্টার, জানায় হোয়াইট হাউস।
গত মাসে দক্ষিণ কোরিয়ায় তাদের বৈঠকের পর দুই দেশের সম্পর্ক স্থিতিশীলতার পথে এগোচ্ছে বলে জানিয়েছে বেইজিং। শুল্ক ইস্যুতেও আংশিক সমঝোতার ফলে উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হয়েছে।
চীন জানায়, পারস্পরিক সম্মান ও লাভজনক সহযোগিতার ভিত্তিতে ইতিবাচক অগ্রগতির ধারা বজায় রাখতে দুই দেশই আগ্রহী। তবে তাইওয়ান ইস্যুতে বেইজিং তার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে—চীনের ভবিষ্যৎ ভূরাজনৈতিক লক্ষ্যের জন্য তাইওয়ানের “চীনে প্রত্যাবর্তন” অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেন শি।
ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে শুধু বলেন, “চীনের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত দৃঢ়।”
আপনার মতামত লিখুন :