সিলেটের ভোলাগঞ্জ থেকে ১৫০০-২০০০ জন ব্যক্তি সাদা পাথর চুরি করেছে। এই ঘটনায় খনিজ সম্পদ (নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়ন) আইন, ১৯৯২ ও বিধিমালা ২০১২ এর ৯৩(১) ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে ২০০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) খনিজ সম্পদ ও পরিবেশ সচিবের পক্ষে হাইকোর্টে এই প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। বিচারপতি কাজী জিনাত হক ও বিচারপতি আইনুন নাহার সিদ্দিকার হাইকোর্ট বেঞ্চে এটি পেশ করা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ৫ আগস্ট থেকে কোম্পানিগঞ্জ উপজেলার গেজেটভুক্ত ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারি থেকে এই লুটপাটের ঘটনা ঘটে। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় ১৫ আগস্ট কোম্পানিগঞ্জ থানায় মামলা নং ০৯, খনিজ সম্পদ আইন ও পেনাল কোডের ধারা অনুযায়ী দায়ের করা হয়।
পরিবেশগত আর্থিক ক্ষতি নিরূপণের জন্য অতিরিক্ত সচিব আহ্বায়ক করে বুয়েটের একজন অধ্যাপকসহ ৬ সদস্যের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক এভিডেভিট দাখিল করে জানিয়েছেন, পাথর প্রতিস্থাপনের কাজ চলমান, দায়ীদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে এবং কোয়ারি এলাকায় নজরদারি অব্যাহত আছে।
জনস্বার্থে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ রিট পিটিশন দায়ের করলে হাইকোর্ট ১৪ আগস্ট রুল জারি করে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় লুট হওয়া পাথরগুলো প্রতিস্থাপনের নির্দেশ দেন। এছাড়া ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দিনের ও রাতের তদারকির জন্য মনিটরিং টিম গঠন ও দুই সপ্তাহের মধ্যে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এই বিষয়ে পরিবেশ সচিব ও খনিজ সম্পদ সচিবকে দুই মাসের মধ্যে পাথর সরানোর ফলে পরিবেশে হওয়া আর্থিক ক্ষতির হিসাব হাইকোর্টে দাখিল করার জন্য বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করতে বলা হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :