নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

‘শত্রুতা’ ভুলে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে সমঝোতা করল তৃণমূল


দৈনিক বাংলার মুখ ডেস্ক প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৫, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন

বাংলার মুখ ডেস্ক

নেপালে সাম্প্রতিক অভ্যুত্থান ঘিরে নিরাপত্তাজনিত সংকটে পড়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। বিশেষ করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস আশঙ্কা করছে সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ ও রাজনৈতিক অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ার। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছেছেন মমতা।

সোমবার কলকাতায় সফরকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠক শেষে তিনি জানান, জাতীয় নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে কোনো মতভেদ নেই। এ ধরনের ইস্যুতে সব দলকেই একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

প্রসঙ্গত, ৯ সেপ্টেম্বর থেকে দুর্নীতি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে নেপালে তরুণ প্রজন্মের আন্দোলন শুরু হয়। মাত্র দু’দিনের মাথায় পতন ঘটে প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলির সরকারের এবং সেনাবাহিনী পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ নেয়। অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি। তবে দেশটির পরিস্থিতি এখনও অস্থিতিশীল।

ভারতের শিলিগুড়ি জেলার চিকেনস নেক এলাকায় নেপালের সঙ্গে প্রায় ১০০ কিলোমিটার স্থলসীমান্ত রয়েছে। সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের ঝুঁকির পাশাপাশি আশঙ্কা করা হচ্ছে নেপালে সক্রিয় নকশালপন্থি মাওবাদী গোষ্ঠীগুলোর প্রভাব পশ্চিমবঙ্গে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এ কারণে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৈঠকে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে একমত হন মোদি ও মমতা। প্রথমত, সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের পাশাপাশি এখন থেকে আধাসামরিক বাহিনী এসএসবিকেও সীমান্ত পাহারায় নিয়োজিত করা হবে। দ্বিতীয়ত, কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানের প্রক্রিয়া আরও জোরদার করা হবে।