ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত ‘ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব: স্মরণে শহীদ আবরার ফাহাদ’ শীর্ষক সেমিনারে ড. মাহমুদুর রহমান বলেছেন, শহীদ আবরার ফাহাদের আত্মত্যাগ ভারতের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াইতে নতুন প্রজন্মকে জাগিয়ে তুলেছে। তিনি বলেন, “আমার সঙ্গে আবরারের কিছু মিল আছে, কিন্তু আমি শহীদ হতে পারিনি; আবরার পারেছেন। তার রক্ত বৃথা যায়নি, তিনি জাতিকে জাগিয়ে তুলেছেন।”
সেমিনারটি ডাকসুর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শহীদ আবরারের পিতা মো. বরকত উল্লাহ, সভাপতিত্ব করেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম। বিশেষ অতিথি ছিলেন আবরারের ভাই আবরার ফাইয়াজ, মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ড. মো. আব্দুর রব প্রমুখ।
মাহমুদুর রহমান বলেন, শহীদ আবরার কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, তবু দেশপ্রেমে উজ্জীবিত ছিলেন। ভারতের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে তার অবস্থান অটল ছিল, তাই তাকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি সেনাবাহিনী ও দেশের সার্বভৌমত্ব প্রসঙ্গে বলেন, প্রকৃত দেশপ্রেমের উদাহরণ শহীদ আবরার, ক্ষমতার দাস জেনারেল নয়।
তিনি আরও বলেন, দেশের প্রগতিশীলতার সংজ্ঞা বিকৃত হয়েছে; প্রকৃত প্রগতিশীলতা মানে হলো জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা। বর্তমানে দেশের জটিল ভূ-রাজনৈতিক অবস্থায়, তরুণরা এই সংগ্রামের মূল শক্তি।
সেমিনারের অংশ হিসেবে ‘স্মরণে মননে শহীদ আবরার ফাহাদ’ শীর্ষক চিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে তরুণ শিল্পীরা আবরারের আদর্শ ও দেশপ্রেম তুলে ধরেন। মাহমুদুর রহমান বলেন, “আমার বয়স অনেক হয়েছে, কিন্তু আজ আমি তরুণদের সঙ্গে আছি—আবরারের পথেই আমাদের মুক্তির পথ। বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।
আপনার মতামত লিখুন :