কিশোরগঞ্জের ভৈরবে জেলা ঘোষণার দাবিতে আন্দোলনকারীরা সোমবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে ১১টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত রেলপথ অবরোধ করেন। এ সময় ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় অন্তত ২০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।
রেলপথ অবরোধের কারণে পাঁচটি ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় সৃষ্টি হয়। আটকে থাকা ট্রেনগুলোর মধ্যে কর্ণফুলী এক্সপ্রেস, চট্টগ্রামগামী কন্টেইনার ট্রেন, তিতাস ট্রেন ও চট্টলা ট্রেন উল্লেখযোগ্য। বিশেষ করে কর্ণফুলী ট্রেন এক ঘণ্টা ১০ মিনিট আটকে থাকায় যাত্রীরা চরম বিপাকে পড়েন।
জানা যায়, ১১ অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবে কিশোরগঞ্জ জেলাকে ময়মনসিংহ বিভাগের অন্তর্ভুক্ত করার পর ভৈরবের সর্বস্তরের জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। এরপর থেকে ভৈরবের মানুষ শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছে। এই আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন বিএনপি, জামায়াতে ইসলাম, ছাত্র শিবির, গণ অধিকার পরিষদ, খেলাফত মজলিস, ইসলামি আন্দোলন ও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের নেতাকর্মীরা।
ব্লকেড কর্মসূচিতে বক্তারা জানান, ১৫ দিন ধরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের পরও সরকার তাদের দাবি মানছে না। তাই তারা ২৬ অক্টোবর সড়কপথ, ২৭ অক্টোবর রেলপথ এবং ২৮ অক্টোবর নৌপথ অবরোধের কর্মসূচি নিয়েছে।
এ ঘটনায় ছাত্রনেতা শাহরিয়ার বলেন, “আমাদের জেলার দাবির আন্দোলন ব্যাহত করতে কিছু দুষ্কৃতকারী ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ করেছে। আমরা তাৎক্ষণিক ট্রেন ছেড়ে দিয়েছি।” রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ সাইদ আহমেদ জানিয়েছেন, দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
অপরদিকে, ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ ও রেললাইন অবরোধের ঘটনায় স্থানীয় জনগণ ও সুধী মহল তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
আপনার মতামত লিখুন :