রাজধানীতে সোমবার (১০ নভেম্বর) চারটি স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা জোরদার করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ধর্মীয় সহাবস্থান ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বিঘ্ন ঘটানোর কোনো চেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা হবে।
পুলিশ জানায়, মোহাম্মদপুরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার এবং লেখক ফরহাদ মজহারের প্রতিষ্ঠান ‘প্রবর্তনা’-র সীমানার ভেতরে ও বাইরে দুটি ককটেল বিস্ফোরণ হয়। মিরপুরে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে, ধানমণ্ডি ২৭ নম্বরের প্রধান সড়কে মাইডাস সেন্টারের সামনে এবং ধানমণ্ডি-৯ নম্বরের ইবনে সিনা হাসপাতালের সামনেও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
এই ঘটনায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ২৮ বছর বয়সি এক যুবককে গ্রেফতার করেছে। প্রাথমিক তদন্তে তাকে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সদস্য হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে কাকরাইলের সেন্ট মেরিস ক্যাথেড্রাল ও সেন্ট জোসেফ স্কুল প্রাঙ্গণে ককটেল বিস্ফোরণসহ একাধিক ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) ও ডিএমপি যৌথভাবে শহরজুড়ে অভিযান চালাচ্ছে, যাতে এই সহিংসতায় জড়িত সবাইকে গ্রেফতার করা যায়। সরকারের পক্ষ থেকে রাজধানীর সব গির্জা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা জোরদার করার পাশাপাশি ধর্মীয় সহাবস্থান ও সাম্প্রদায়িক ঐক্য রক্ষায় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :