বাংলাদেশকে একটি সুন্দর, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রণীত আচরণবিধি কঠোরভাবে মানতে রাজনৈতিক দল ও জাতীয় নেতাদের আন্তরিক সহযোগিতাও তিনি কামনা করেছেন।
রোববার, কমিশন আয়োজিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে উদ্বোধনী বক্তব্যে সিইসি বলেন, সংলাপের মূল উদ্দেশ্য দুটি—আচরণবিধি যথাযথভাবে পালনে দলগুলোর সহযোগিতা নিশ্চিত করা এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে একটি নিরপেক্ষ পরিবেশ তৈরি করা।
সিইসি জানান, দায়িত্ব নেয়ার প্রথম দিন থেকেই কমিশন জনগণকে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দেওয়ার অঙ্গীকার করে এসেছে। এর মধ্যে পূর্বের ইলেক্টোরাল রিফর্মস কমিশন ও ঐকমত্য কমিশনের পরামর্শ ইসির কাজ সহজ করেছে, যদিও রাজনৈতিক ব্যস্ততা ও প্রশাসনিক চাপে পরামর্শ প্রক্রিয়া কিছুটা দেরিতে শুরু হয়।
তিনি বলেন, আচরণবিধি নানা রাজনৈতিক দলের লিখিত মতামত নিয়ে চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং নির্বাচনকালীন এই বিধিই মূল আইনি কাঠামো হিসেবে কাজ করে। দলগুলো আন্তরিক থাকলে কঠোর আইন প্রয়োগের প্রয়োজন পড়ে না বলে উল্লেখ করেন সিইসি।
নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি বলেন, “আমরা কারও পক্ষে কাজ করতে পারব না। আইন ও বিবেক অনুযায়ীই চলব।”
ইসিকে পক্ষপাতদুষ্ট ভাবার প্রবণতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কমিশনের একমাত্র কর্তব্য আইন মেনে নির্বাচন পরিচালনা করা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এআই–চালিত অপতথ্য ছড়িয়ে পড়াকে তিনি বর্তমান কমিশনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন—একটি চ্যালেঞ্জ যা পূর্ববর্তী কোনো কমিশনের মোকাবিলা করতে হয়নি। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায়ও তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর সমন্বিত সহযোগিতা চান।
আপনার মতামত লিখুন :