রপ্তানি আয় দেশে না ফেরানোর অভিযোগ

মানিলন্ডারিং তদন্তে অগ্রণী ব্যাংকে দুদকের চিঠি


বাংলার মুখ প্রতিবেদক প্রকাশের সময় : নভেম্বর ২১, ২০২৫, ১:২১ পূর্বাহ্ন

৬ লাখ ৭০ হাজার ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি করে রপ্তানি আয় দেশে না ফেরানোর অভিযোগে দুজন ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তদন্তের অংশ হিসেবে অগ্রণী ব্যাংকের গ্রিন রোড করপোরেট শাখায় প্রয়োজনীয় রেকর্ডপত্র সরবরাহের অনুরোধ জানিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

দুদকের উপপরিচালক সাইফুল ইসলাম ১৭ নভেম্বর পাঠানো চিঠিতে জানান, এম আই ট্রেডিংয়ের স্বত্বাধিকারী মো. সোহাগ মিয়া ও টোটাল কোয়ালিটি কোম্পানির মালিক হাসান জুনাইদ করিম ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় এলসি খুলে পণ্য রপ্তানি করেছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, রপ্তানি আয়ের অর্থ দেশে ফেরত না এনে তারা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের সম্ভাব্য লঙ্ঘনে জড়িত হয়েছেন।

চিঠিতে ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে বর্তমান পর্যন্ত রপ্তানি-সংক্রান্ত সকল দলিল—সেলস কনট্রাক্ট, ইনভয়েস, বিল অব লোডিং, বিল অব এক্সপোর্ট, পেমেন্ট মেসেজ, আমদানিকারকের ক্রেডিট রিপোর্ট এবং নগদ সহায়তার নথি—সরবরাহের অনুরোধ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট হিসাবের কেওয়াইসি ফর্ম, হিসাব বিবরণী ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় রেকর্ডও চাওয়া হয়েছে।

দুদক আগামী ২৫ নভেম্বরের মধ্যে তথ্য জমা দেওয়ার জন্য ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে।