রাজধানীর পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় আয়োজিত গণসংবর্ধনায় বক্তব্য শেষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার মা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেখতে বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা ১৮ মিনিটের দিকে তিনি সংবর্ধনাস্থল ত্যাগ করেন।
এর আগে প্রায় চার ঘণ্টার যাত্রা শেষে দুপুর পৌনে চারটার দিকে লাল-সবুজে সাজানো একটি বাসে করে সংবর্ধনাস্থলে পৌঁছান তারেক রহমান। সেখানে উপস্থিত জনসমুদ্রে তিনি সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন।
বক্তব্যের শুরুতে তিনি দেশের মাটিতে ফিরে আসার জন্য সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। পরে দেশবাসীর কাছে মায়ের সুস্থতার জন্য দোয়া চান। “সন্তান হিসেবে আমার মন এখন হাসপাতালে শুয়ে থাকা আমার মায়ের পাশে,” বলেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে যেমন জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, তেমনি ২০২৪ সালে সর্বস্তরের মানুষ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছে। তিনি বলেন, আজ দেশের মানুষ কথা বলার অধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেতে চায়।
তিনি আরও বলেন, সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষকে নিয়ে একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে—যেখানে নারী, পুরুষ ও শিশুরা নিরাপদে ঘর থেকে বের হয়ে নিরাপদে ফিরতে পারবে। শহীদ ওসমান হাদির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক ও অর্থনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়েই শহীদদের রক্তের ঋণ শোধ করা সম্ভব।
তরুণ প্রজন্মের ভূমিকার ওপর জোর দিয়ে তারেক রহমান বলেন, শক্ত গণতান্ত্রিক ও অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপর দেশ গড়ে তুলতে হবে। “আমরা দেশের শান্তি চাই,” বলেন তিনি।
উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে রওনা হয়ে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে তারেক রহমানকে বহনকারী উড়োজাহাজটি সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সংক্ষিপ্ত বিরতির পর সকাল ১১টা ১২ মিনিটে বিমানটি ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে।
আপনার মতামত লিখুন :