দেশব্যাপী রক্তক্ষয়ী বিক্ষোভ দমনের পর পরিস্থিতি এখন ‘সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে’ রয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান সরকার। একই সঙ্গে শিগগিরই দেশে ইন্টারনেট সংযোগ পুনরায় চালু করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি।
তিনি বলেন, বিক্ষোভগুলো উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সহিংস রূপ নেয়, যাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হস্তক্ষেপের সুযোগ পান। তবে এ দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। সক্রিয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, দমন অভিযানে অন্তত ৫০০ জন নিহত হয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই বিক্ষোভকারী।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে ধাপে ধাপে ইন্টারনেট সংযোগ পুনঃস্থাপন করা হবে। দূতাবাস ও সরকারি দপ্তরগুলোর ইন্টারনেটও শিগগির চালু করা হবে।
এদিকে ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান আলোচনায় বসতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তার সামরিক হুমকির পর এই বক্তব্য এলেও তেহরান এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। এমন পরিস্থিতিতে ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ইরান সফর কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়িয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, বিক্ষোভের জবাবে নিজেদের শক্তি প্রদর্শনে রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরে সরকারপন্থী মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এসব মিছিলে ধর্মতান্ত্রিক শাসনের পক্ষে স্লোগান এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলবিরোধী শ্লোগান দিতে দেখা গেছে।
আপনার মতামত লিখুন :