ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা কে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশের সময় : মার্চ ১, ২০২৬, ১২:৪২ অপরাহ্ন

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর তেহরানে উত্তরাধিকার প্রশ্নটি সামনে এসেছে। দেশটির রাজনৈতিক–ধর্মীয় কাঠামোয় এ সিদ্ধান্ত নেয় আলেমদের পরিষদ। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ও ইরানি সূত্রগুলো আপাতত পাঁচ সম্ভাব্য নামের দিকেই ইঙ্গিত করছে—যাদের প্রভাব, ধর্মীয় মর্যাদা ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্ক ভিন্ন ভিন্ন।

মোজতাবা খামেনি (৫৬)
খামেনির দ্বিতীয় পুত্র। অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও নিরাপত্তা বলয়ে প্রভাব থাকলেও উচ্চস্তরের ধর্মীয় মর্যাদা ও কোনো আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রীয় পদ না থাকাটা বড় বাধা। ইরানের ব্যবস্থায় বংশানুক্রমিক উত্তরাধিকারও বিতর্কিত।

আলীরেজা আরাফি (৬৭)
খামেনির ঘনিষ্ঠ ও প্রতিষ্ঠিত আলেম। আলেমদের পরিষদের উপ-চেয়ারম্যান এবং গার্ডিয়ান কাউন্সিলের সদস্য। তবে সামরিক–নিরাপত্তা মহলের সঙ্গে প্রত্যক্ষ প্রভাব সীমিত।

মোহাম্মদ মেহদি মিরবাঘেরি (৬০)
কট্টরপন্থি আলেম, আলেম পরিষদের সদস্য। পশ্চিমাবিরোধী অবস্থানের জন্য পরিচিত; কোম শহরের একাডেমিক প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বে আছেন। কঠোর মতাদর্শ তার শক্তি যেমন, তেমনি বিভাজনের ঝুঁকিও।

হাসান খোমেনি (৫০)
ইসলামী বিপ্লবের নেতা রুহুল্লাহ খোমেনির নাতি। তুলনামূলক সংযত ভাবমূর্তি থাকলেও প্রশাসন ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানে প্রভাব কম।

হাশেম হোসেইনি বুশেহরি (৬০-এর বেশি)
জ্যেষ্ঠ আলেম ও আলেম পরিষদের প্রথম উপ-চেয়ারম্যান। খামেনির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা থাকলেও সামরিক বলয়ে সংযোগ সীমিত।

পর্যবেক্ষকদের মতে, শেষ পর্যন্ত ধর্মীয় মর্যাদা, নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের সমর্থন এবং রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতার সমন্বয়ই সিদ্ধান্ত নির্ধারণ করবে। সূত্র: CNN