জ্বালানি খাতে বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রভাব মোকাবিলায় সরকার একাধিক সাশ্রয়ী পদক্ষেপ বিবেচনায় নিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে সরকারি চাকরিজীবীদের সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানো এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আংশিক অনলাইন ক্লাস চালুর প্রস্তাব মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপনের প্রস্তুতি চলছে।
মঙ্গলবার সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা ও সীমিত মজুদের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়ায় প্রশাসন ব্যয় সংকোচনের বিকল্প উপায় খুঁজছে। এখনো এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, তবে আসন্ন মন্ত্রিসভা বৈঠকে আলোচনার পর নীতিগত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
প্রস্তাবিত পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে সরকারি অফিসে ওয়ার্ক ফ্রম হোম পদ্ধতি আংশিক চালু করা অথবা সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহার কমাতে প্রশাসনিক কার্যক্রমে আরও সংযম আনার চিন্তাভাবনা চলছে।
শিক্ষা খাতেও পরিস্থিতির প্রভাব পড়তে পারে। শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে স্কুল পর্যায়ে অনলাইন ও সশরীরে পাঠদানের সমন্বিত ব্যবস্থা চালুর বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
এদিকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে সরকারি দপ্তরগুলোর জন্য ১১ দফা নির্দেশনা জারি করেছে। এতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়, অফিস ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা এবং দৈনন্দিন কার্যক্রমে দক্ষতা বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে এসব পদক্ষেপ কতটা কার্যকর হবে, তা নির্ভর করছে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি এবং নীতিগত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ওপর।
আপনার মতামত লিখুন :