ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও বাংলাদেশের মধ্যে সমন্বিত অংশীদারি চুক্তি (কমপ্রিহেনসিভ পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট—পিসিএ) নিয়ে আলোচনা শিগগিরই চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাবে বলে জানিয়েছেন ইইউর এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।
বুধবার ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে ইউরোপীয় এক্সটারনাল অ্যাকশন সার্ভিসের এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক পাওলা পাম্পালোনি এ কথা বলেন।
সাক্ষাতে বাংলাদেশ–ইইউ সম্পর্কের বিভিন্ন দিক, পিসিএ চুক্তির অগ্রগতি, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট, অবৈধ অভিবাসন রোধ এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা হয়। পাম্পালোনি বলেন, ২০২৪ সালের নভেম্বরে সমন্বিত অংশীদারি চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে এবং এটি দুই পক্ষের সম্পর্ককে আরও গভীর করবে।
তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক অংশীদার হিসেবে বাংলাদেশকে ইইউ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ইইউ একটি উচ্চপর্যায়ের বড় নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশন পাঠাবে।
জবাবে অধ্যাপক ইউনূস ইইউর ধারাবাহিক সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান এবং বলেন, পিসিএ চুক্তি বাংলাদেশ–ইইউ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে। তিনি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
সাক্ষাতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
আপনার মতামত লিখুন :