কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন

তিন শতাধিক স্বেচ্ছা রক্তদাতাকে সম্মাননা দিল কোয়ান্টাম


দৈনিক বাংলার মুখ ডেস্ক প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৫, ৯:১৩ অপরাহ্ন

বাংলার মুখ ডেস্ক

রাজধানীর কাকরাইলস্থ আইডিইবি মিলনায়তনে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো স্বেচ্ছা রক্তদাতা সম্মাননা অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে ৩ বারের বেশি রক্তদানকারীকে লাইফ লং, ১০ বারের দানে সিলভার, ২৫ বারে গোল্ডেন এবং ৫০ বারের বেশি রক্তদাতাকে প্লাটিনাম ক্লাবের সদস্য হিসেবে সম্মাননা প্রদান করা হয়। এ উপলক্ষে তিন শতাধিক রক্তদাতার হাতে সনদ, ক্রেস্ট ও মেডেল তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ বলেন, স্বেচ্ছা রক্তদান কার্যক্রমের মতো মানবিক উদ্যোগের কোনো প্রতিদান মানুষ দিতে পারে না। এটি এমন এক মহৎ কাজ, যার পুরস্কার একমাত্র স্রষ্টাই দিতে পারেন। তিনি বলেন, রক্তের প্রকৃত মূল্য বোঝেন কেবল একজন রক্তগ্রহীতা। তাই প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ সারাদেশে মানুষকে স্বেচ্ছা রক্তদানে আরও উদ্বুদ্ধ করা জরুরি।

এ সময় অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করেন ‘ও’ পজেটিভ গ্রুপের ৫১ বার রক্তদাতা রুবাইয়াত হাসান সিরাজ এবং নিয়মিত রক্তগ্রহীতা থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত ফারহান তানভীর। তাঁরা রক্তদান ও রক্তগ্রহণের মাধ্যমে গড়ে ওঠা মানবিক সম্পর্কের তাৎপর্য তুলে ধরেন।

কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের পরিচালক (মোটিভেশন) এম রেজাউল হাসান জানান, দুই যুগে প্রায় ১৭ লাখ ৩০ হাজার ইউনিট রক্ত দিয়ে সেবা দিতে সক্ষম হয়েছে ফাউন্ডেশন। দেশে রক্তের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে আরও তরুণদের এ মানবিক সেবায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, কৃত্রিম উপায়ে রক্ত তৈরি করা যায় না এবং অন্য কোনো প্রাণীর রক্ত মানুষের শরীরে সঞ্চালন করা যায় না। একজন মানুষের প্রয়োজনে আরেকজন মানুষ রক্ত না দিলে রক্ত পাওয়ার আর কোনো বিকল্প নেই।

তাছাড়া একজন প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ মানুষ নিয়মিত চার মাস অন্তর অনায়াসেই রক্ত দান করতে পারেন। এতে রক্তাদাতার শারীরিক ক্ষতির কোনো আশঙ্কা তো নেই; বরং তা রক্তদাতার শারীরিক সুস্থতাকেই বাড়িয়ে তোলে।